রেলপথের মাধুকরী

রেলপথে লোহার দুটি লাইনের ওপর ইঞ্জিনের কেবিনে বসে তাঁদের জীবনের অর্ধেকের বেশি দিন কেটে যায়। চাকুরি জীবন শেষে দেখা যায় কটা দিন আর বাকি।

তাদের সুখ, দুঃখ, মনন ও মানসিকতা নিয়ে আমার নতুন বই “রেলপথের মাধুকরী” প্রকাশিত হতে চলেছে।

Similar Posts

  • একটি চুরি যাওয়া সাইকেল

    একটি চুরি যাওয়া সাইকেল পর্ব – ৩ এখানে SSB এর টিমটা সকাল ৬’টায় চলে আসে। সন্ধ্যে ৬’টায় চলে যায়। সকাল বেলা এসেই তারা কলকল করতে শুরু করে। ফলে ঘুম ভেঙ্গে গেল। এরা অসমের ব্যাটেলিয়ান। এখানে এসেছে অমরনাথ যাত্রা চলাকালীন যাত্রী সুরক্ষার জন্য। তাদের দশজন পুলিশ ক্যাম্পেই থাকে। জায়গা নেই বলে বাকিরা নিজেদের ক্যাম্পে ফিরে যায়।…

  • একটি চুরি যাওয়া সাইকেল

    একটি চুরি যাওয়া সাইকেল পর্ব – ২ আমাদের নিজেদের প্রদেশে থানাতে গিয়ে সব সময়েই একটা Rejection এর মনোভাব দেখি। কিন্তু এখানে সান্ত্রী বেশ মনোযোগ নিয়ে মুন্সীর ঘরে পাঠালেন। সেখানে ছিলেন ‘পারিহার’ সাহেব। তাঁকে সব বিস্তারিত বললাম। তিনি তাঁর অফিসারকে ফোন করলেন। আমাকে একটা প্রাথমিক বর্ণনা বলতে হল যেটা উনি লিখে নিলেন। তাঁর পাশে একটি কম…

  • একটি চুরি যাওয়া সাইকেল

    একটি চুরি যাওয়া সাইকেল পর্ব – ৪ (শেষ পর্ব) এদিকে আমার হাল কে দেখে তার ঠিক নেই। এসব করতে করতেই বেজে গেল বিকেল ৪’টে। কোর্ট নাকি ৪’টে অবধিই চলে। উকিলবাবু আমার সব কাগজপত্র বের করে চললেন জজ্‌ সাহেবের কাছে। নিয়মটা আগেই বলেছি, কোর্ট কিছু একটা অর্ডার দেবে। সেটা নিয়ে থানায় আসতে হবে। সেখানে থানায় সই…

  • শ্রী অমরনাথ যাত্রা – অন্য চোখে

        দুই হাজার চব্বিশ (২০২৪) সালের শ্রী অমরনাথ যাত্রার শুভ সূচনা ২৯’শে জুন তারিখে। আমি আজ ২৮’শে জুন অর্থাৎ যাত্রার একদিন আগে জোজিলা পাস দিয়ে অবতরণ করছি। আমি ছিলাম লাদাখে। দ্রাস থেকে জোজিলা পাস অতিক্রম করে চলেছি শ্রীনগরের দিকে। আমার বাহন সাইকেল। এই সাইকেলে ভ্রমণের কারণে পথে বহু মানুষের সাথে সাক্ষাতের সুযোগ বাড়ে। দৃশ্যপটও…

  • ব্যাঙে প্রেম করে যেই জন

    ব্যাঙে প্রেম করে যেই জন ঘরদোর অপরিস্কার থাকলে ঘরে অনেক পোকামাকড় জোটে। আরশোলা তো থাকবেই। ইদুরও আসতে পারে। পিঁপড়ের তো কথাই নেই। সুখী গৃহকোণের এগুলো অঙ্গ হতে পারে না। তাই বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করতে হয়। পিঁপড়ে তাও কিছুটা সহ্য করা যায়। কারণ সহজেই তাকে দমন করা সম্ভব। আরশোলাকে নিয়েএকটা সুবিধা হল, সেটি চট করে মানুষের…

  • কাটোয়া-লাডপুর-চন্ডিদাস-বোলপুর

    কাটোয়া-লাডপুর-চন্ডিদাস-বোলপুর কাটোয়া স্টেশনের পরে যে রাস্তাটা “কেতুগ্রামের” দিকেগেছে, সেটির দুপাশে শুধুই ধানক্ষেত। এখানের সবচেয়ে বড় নদী ‘অজয় নদ’ একটু দূরেই গঙ্গারসাথে মিশেছে। কেতুগ্রামে “গীতাভবন” বলে একটিআশ্রম আছে আমার পূর্ব পরিচিত। দুর্গাপুজো উপলক্ষ্যে সেখানে দেখি নাচ গানের মহড়া চলছে।তাদের একনিষ্ঠ অনুশীলনে আমি মুগ্ধ হয়ে গেলাম।সেখানে পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে ঈশানী নদী। সেখানে বাচ্চাদের কতই না কেরামতি।…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *