রেলপথের মাধুকরী

রেলপথে লোহার দুটি লাইনের ওপর ইঞ্জিনের কেবিনে বসে তাঁদের জীবনের অর্ধেকের বেশি দিন কেটে যায়। চাকুরি জীবন শেষে দেখা যায় কটা দিন আর বাকি।

তাদের সুখ, দুঃখ, মনন ও মানসিকতা নিয়ে আমার নতুন বই “রেলপথের মাধুকরী” প্রকাশিত হতে চলেছে।

Similar Posts

  • সিন্ধু তুমি কার

    সিন্ধু তুমি কার ছোটবেলা থেকে এতবার শুনে আসছি গানটা, সময় পেলেই গুনগুনিয়ে উঠি – “গঙ্গা সিন্ধু নর্মদা, কাবেরী যমুনা ওই….”। সব নদীগুলো ইচ্ছে হলেই দেখতে পারি শুধু ‘সিন্ধু’ ছাড়া। সে নাকি হাতের নাগালে নয়। যে দূর থেকে হাতছানি দেয়, তার প্রতি বোধহয় টান বেশি জন্মায়। তাই মনে মনে তাকে বলতাম, যখন তুমি আস্ত একটা নদী…

  • মদনের প্রেম

    মদনের প্রেম বাঙালীর কাছে ‘মদন’ নামটার মানে যাই হোক না কেন, আমি যার কথা বলছি সে হল হিমাচলের প্রেমিক মদন। মদনের সাথে আমার প্রেমের কাহিনী বলার জন্যই আমার কলম ধরা। আসলে প্রেমটা আমার সাথে মদনের নয়। মদনের প্রেমিক সত্ত্বার সাথে। মদন একটা ছেলে। তার সাথে আর কী প্রেম করব। তবে মনস্তত্ত্ববিদরা বলেন, প্রেমের সাথে ছেলে…

  • আদ্রিজার মা বলছি

    আদ্রিজার মা বলছি      মা বলেছিল একটা ভাল পাত্র পেয়েছি। তোর বিয়ে দেব। আমি তখন চাকরি খুঁজছি নিজে পায়ে দাঁড়াব বলে। মা বোঝাল, “ওরে ছেলেটা খুব ভাল, হাত ছাড়া করব না। ভাগ্যে থাকলে পরেও চাকরি জুটবে”। আমি বললাম ভাগ্যে থাকলে তো ভাল ছেলেও পরে জুটবে। কিন্তু মায়ের মতেই মত দিলাম। জন্ম দিয়ে বড় করেছে,…

  • বিদ্যুৎ মহারাজ

    বিদ্যুৎ মহারাজ বিদ্যুৎ মহারাজের সন্ন্যাসে রূপান্তরের গল্প   চলার পথে পড়ে থাকা সম্পদ যা কিছু চোখে পড়ে, তা চাক্ষুষ করে আমার জীবন সার্থক হয়। কোন পূর্বপরিকল্পনা ছাড়াই এসব সম্পদ আমার কাছে ধরা দেয়। যেমন বনগাঁ ভারত সেবাশ্রম সংঘের বিদ্যুৎ মহারাজ। সাধারণ একটি পরিবারের সন্তান হয়ে কিভাবে তিনি ধীরে ধীরে একটি সংঘের মহারাজ হয়ে উঠলেন, তাই…

  • একটি চুরি যাওয়া সাইকেল

    একটি চুরি যাওয়া সাইকেল পর্ব – ৪ (শেষ পর্ব) এদিকে আমার হাল কে দেখে তার ঠিক নেই। এসব করতে করতেই বেজে গেল বিকেল ৪’টে। কোর্ট নাকি ৪’টে অবধিই চলে। উকিলবাবু আমার সব কাগজপত্র বের করে চললেন জজ্‌ সাহেবের কাছে। নিয়মটা আগেই বলেছি, কোর্ট কিছু একটা অর্ডার দেবে। সেটা নিয়ে থানায় আসতে হবে। সেখানে থানায় সই…

  • জোজিলার কালো রাত

    জোজিলার কালো রাত সে একরাত বটে। রোদ ঝলমলে সকালে টেন্টের দরজা দিয়ে মুখ বাড়িয়ে দেখি চারিধারের পাহাড়ের মাথায় সোনালী সূর্যের ছটা। সোনামার্গের যাত্রীনিবাসে মনোরম ঘাসের ওপর টেন্ট খাটিয়েছিলাম। সাইকেল চালিয়ে চলেছি লাদাখ। সোনামার্গের পরে বড় শহর হল দ্রাস। পথে আছে ‘জোজিলা পাস’ (৩৫২৮ মি. উঁচু)। এর আগে পাসের প্রকৃতি সম্পর্কে আমার খুব বেশি ধারণা ছিল…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *